[bardhaman] - ফড়ে রুখতে রোজ হিসেব

  |   Bardhamannews

কোন চাষির কাছ থেকে কত ধান কেনা হল, প্রতি দিন তার তালিকা পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির কাছে পাঠিয়ে দেবে খাদ্য দফতর। ফড়ে রুখতে এমনই ব্যবস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার সভাঘরে জেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। এ দিনই সকালে জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব ধান কেনার প্রক্রিয়া দেখতে জেলা কৃষি খামারে গেলে চাষিরা খাদ বাদ দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ দেখান। জেলাশাসক বলেন, ‘‘বৈঠকে ঠিক হয়েছে, কোন চাষি কত ধান সহায়ক মূল্যে বিক্রি করলেন প্রতিদিন তার তালিকা পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিতে পাঠানো হবে। ইচ্ছা করলে তারা ওই তালিকা প্রকাশ্যে টাঙিয়ে রাখতে পারে।’’

গত সোমবার জেলা পরিষদের সঙ্গে চালকল মালিকদের একটি বৈঠকে ঠিক হয়, প্রতি বস্তায় (৬০ কেজি) সর্বোচ্চ তিন কেজি খাদ বাদ দেওয়া যাবে। এ দিন সেই সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, চালকল সমিতির সদস্যরা ফড়েদের উৎপাতের অভিযোগে সরব হন। তাঁদের দাবি, বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া, মেদিনীপুর থেকে কম দামে ধান কিনে এনে ফড়েরা প্রান্তিক চাষির নামে কিসান মান্ডিতে রেজিস্ট্রেশন করিয়ে রায়না-সহ বেশ কয়েকটি জায়গার চালকলকে কিনতে বাধ্য করছেন। চালকল মালিক সমিতির রাজ্য কার্যকরী সভাপতি আব্দুল মালেকের দাবি, ‘‘বৈঠক চলাকালীনই একটি চালকলে ফড়েরা ৯০ কুইন্টাল ধান নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অভিযোগ করা হয়েছে। আমাদের দাবি মেনে এ দিনই রাজ্যে খাদ্য কমিশনার চাষিদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ কুইন্টাল ধান কেনার নির্দেশ জারি করেছেন।’’...

ফটো - http://v.duta.us/J1jFgQAA

এখানে সম্পূর্ণ সংবাদ পড়ুন— - http://v.duta.us/0DChKAAA

📲 Get Bardhamannews on Whatsapp 💬