মিড-ডে মিলে মাংস, পটল-চিংড়ি, পায়েস

  |   West-Bengalnews

মেনুটা চমকে দেওয়ার মতোই!

ভাত, ডাল, আলু-পকোড়া, আনাজের তরকারি, পটল-চিংড়ি, মুরগির মাংস, পাঁপড় এবং চাটনি। এই খাদ্য-তালিকা কোনও অনুষ্ঠান-বাড়ির নয়। বৃহস্পতিবার ‘শিক্ষক দিবস’-এ চুঁচুড়া বালিকা বাণীমন্দির স্কুলের মিড-ডে মিলের। ক’দিন আগেও যে স্কুলের পড়ুয়াদের নুন-ভাত খেতে হচ্ছিল, সেই স্কুলেই ওই আয়োজন!

শুধু এই স্কুলই নয়, রাজ্য জুড়েই এ দিন মিড-ডে মিলে বৈচিত্র্য। কোথাও মাছ, শুক্তো, কোথাও মাংস, কোথাও সঙ্গে রসগোল্লা, দই বা মিহিদানা। এমনকি কোল্ড ড্রিঙ্কও!

হলটা কি? আগেও ‘শিক্ষক দিবস’ এসেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে ফুল-বই, কলম বা অন্য উপহার তুলে দিতে দেখা গিয়েছে ছাত্রছাত্রীদের। কোথাও কোথাও শিক্ষকেরা পড়ুয়াদের পাল্টা উপহার দিয়েছেন বা কিছু খাইয়েছেন—এমন নজিরও রয়েছে। কিন্তু এ বার অন্য ছবি। চাল বাদে মিড-ডে মিলের জন্য পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াপিছু বরাদ্দ থাকে মাত্র ৪ টাকা ৮১ পয়সা। তার থেকে উঁচু ক্লাসে ছাত্রপ্রতি ৬ টাকা ৪৫ পয়সা। এই টাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টিকর খাবার দেওয়া মুশকিল, এ কথা প্রায় সব স্কুল কর্তৃপক্ষই স্বীকার করেন। কিন্তু এ দিন আর ওই সরকারি বরাদ্দের দিকে তাকিয়ে ছিলেন না তাঁরা। বেশিরভাগ জায়গাতেই শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিজেরা চাঁদা তুলে পড়ুয়াদের খাইয়েছেন। অনেকেই মানছেন, চুঁচুড়ার স্কুলটি নুন-ভাতের মেনু সামনে আসার পরে যে বিতর্ক শুরু হয়, তা থেকেই এ বার অন্য রকম কিছু করার ভাবনা কাজ করেছে। চুঁচুড়ার স্কুলটির প্রধান শিক্ষিকা ধৃতি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘শিক্ষিকারা নিজেরা চাঁদা তুলেছেন এ দিনের জন্য। অন্য রকম মিড-ডে মিল খেয়ে মেয়েরা খুব খুশি।’’...

ফটো - http://v.duta.us/_5oygwAA

এখানে সম্পূর্ণ সংবাদ পড়ুন— - http://v.duta.us/7v5wsQAA

📲 Get West-Bengalnews on Whatsapp 💬