চন্দ্রাভিযান: রাতে জেগে রইল মালদহ

  |   North-Bengalnews

পঞ্চাশ বছর আগে চাঁদে পা রাখে মানুষ। তারই যেন অর্ধশতবর্ষপূর্তি হল চন্দ্রযান ২-এর চাঁদের মাটিতে পা রাখার মধ্যে দিয়ে। চাঁদ বরাবরই রূপকথার জায়গা। মাস দেড়েক আগে সেই রূপকথায় যেন যোগ হয়েছিল আর এক রূপকথা। ২২ জুলাই, সোমবার দুপুরে ভারতের দ্বিতীয় চন্দ্রাভিযান হয়।

এই রূপকথার একটি চরিত্র মালদহের গৌতম মানি। চন্দ্রযান-২ তৈরির অন্যতম সহযোদ্ধা ছিলেন তিনি। সেই চন্দ্রাভিযান যখন সফল ভাবে উৎক্ষেপণ হয়েছিল আনন্দে লাফিয়ে উঠেছিলেন তিনি। শুক্রবার সেই চন্দ্রযান-এর চাঁদের মাটিতে পা রাখার কথা। তাই সকাল থেকেই রীতিমতো উত্তেজনায় চঞ্চল গৌতম। টেলিভিশনের পর্দায় রাত জেগে বসেছিলেন গৌতমের মা গোপা মানি ও স্ত্রী উপাসনাও। মালদহের ইংরেজবাজার শহরের মহাজনটোলায় আদি বাড়ি গৌতমের। এ বছরের মার্চ মাসে তাঁর বাবা গোপেশচন্দ্র মারা যান। আর কিছু দিন আগেই উপাসনাকে বিয়ে করেছিলেন গৌতম। বাবার মৃত্যুর পর মা ও স্ত্রীকে নিয়ে এখন তিরুঅনন্তপুরমেই থাকেন। ইসরোতে তিনি প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান-২ তৈরিতে তিনি ছিলেন অন্যতম সহযোগী। গৌতম বলেন, ‘‘চন্দ্রযানের মহাকাশে পরিক্রমা চলাকালীন বরাবর আমরা তার নজরদারিতে ছিলাম। গুরুত্বপূর্ণ এই চন্দ্রযান অভিযানের একজন সহযোদ্ধা হতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করি।’’ গৌতমের কাকা মালদহেই মহাজনটোলাতে থাকেন। তিনি বলেন, ‘‘ভাইপোর জন্য আমরা গর্বিত।’’...

ফটো - http://v.duta.us/T0BuFAAA

এখানে সম্পূর্ণ সংবাদ পড়ুন— - http://v.duta.us/7-9FtgAA

📲 Get North-Bengalnews on Whatsapp 💬