শব্দ-তাণ্ডব শুরু, জানান দিল গণেশ পুজো

  |   Calcuttanews

এমনিতেই বারো মাসে তেরো পার্বণ। আর এখন বারো মাসই শব্দদূষণের পার্বণ। পুলিশ থেকে শুরু করে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কর্তা, এমনকি চিকিৎসকেরাও এক বাক্যে স্বীকার করেন সে কথা।

কিন্তু তাতে কী! দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের যুক্তি, তাদের পর্যাপ্ত লোকবল নেই। যাতে স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে শব্দবাজির তাণ্ডব ঠেকানো যায়। আর পুলিশের দাবি, অভিযোগ এলে তারা ব্যবস্থা নেয়। প্রশ্ন উঠেছে, অভিযোগ আসা পর্যন্ত অপেক্ষাই বা করা হয় কেন? সেই প্রশ্নের জবাব মেলেনি। যদিও গণেশ পুজো ও তার ভাসান বুঝিয়ে দিয়ে গেছে, তাণ্ডবের দিনরাত্রির সবে শুরু!

কিছু বছর আগে পর্যন্ত শব্দ-তাণ্ডব বলতে শুধু কালীপুজোর সময়টুকু বোঝাত। কিন্তু এখন শব্দ-তাণ্ডব চলে বছর জুড়েই। মোড়ে মোড়ে গণেশ পুজো, সেই সঙ্গে ডিজের তাণ্ডব, উপর্যুপরি বাজি ফাটানো— গত কয়েক দিন ধরে সবই চলছে সমান্তরাল ভাবে। এর জেরে শ্রবণশক্তির উপরে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন ইএনটি চিকিৎসকদের একাংশ। ইএনটি চিকিৎসক শান্তনু পাঁজা বলেন, ‘‘শ্রবণশক্তির ক্ষমতা তো বাড়েনি বা এই অতিরিক্ত আওয়াজকে গ্রহণ করার মতো শ্রবণশক্তির বিবর্তনও হয়নি। ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা থাকছে। পুলিশ-প্রশাসন কেন এ ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ করে না, এটা একটা আশ্চর্যের বিষয়!’’ ইএনটি চিকিৎসক অর্জুন দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘আমরা একটি সমীক্ষা করে দেখেছিলাম, যাঁদের শ্রবণশক্তি ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁদের সমস্যা এই বাজি ফাটানো, ডিজের আওয়াজে বহুগুণ বেড়ে যায়। আর যাঁদের শ্রবণশক্তি এখনও স্বাভাবিক রয়েছে, এই অতিরিক্ত আওয়াজে তাঁদের স্বভাবগত পরিবর্তন আসে। খিটখিটে মেজাজ, অস্থিরতা কাজ করে সব সময়ে। প্রশাসনের তরফে যে সদর্থক ভূমিকা পালন করার কথা ছিল, সেটা তো দেখা যায় না!’’...

ফটো - http://v.duta.us/pybqqQAA

এখানে সম্পূর্ণ সংবাদ পড়ুন— - http://v.duta.us/1823TAAA

📲 Get Calcuttanews on Whatsapp 💬